ভিসা আবেদন সহায়তার দূরবর্তী পরিষেবা চুক্তি

ভিসা আবেদন সহায়তার দূরবর্তী পরিষেবা চুক্তি

ধারা ১ — পক্ষসমূহ ও লেনদেনের রেকর্ড

এই দূর থেকে দেওয়া সেবার চুক্তি Mark Sigorta Aracılık Hizmetleri Anonim Şirketi (‘কোম্পানি’) এবং অপরিবর্তনীয় লেনদেনের সারাংশে চিহ্নিত আবেদনকারীর মধ্যে ইলেকট্রনিকভাবে সম্পাদিত হয়।

কোম্পানির আইনগত পরিচয় ও যোগাযোগের বিবরণ প্রাথমিক তথ্যে দেওয়া আছে এবং তা এই চুক্তির অংশ। লেনদেনের সারাংশে ভ্রমণকারী, নির্বাচিত সেবা, প্রক্রিয়াকরণ বিকল্প, তারিখ, মূল্যখাত, মুদ্রা, মোট অর্থের পরিমাণ ও সরবরাহের পদ্ধতি চিহ্নিত থাকে।

ধারা ২ — চুক্তি সম্পাদন

প্রাথমিক তথ্য, লেনদেনের সারাংশ ও চুক্তির নথি দেখার সুযোগ পাওয়ার পর আবেদনকারী চুক্তি গ্রহণের পৃথক নিয়ন্ত্রণটি সক্রিয় করে ইলেকট্রনিকভাবে লেনদেন নিশ্চিত করলে এই চুক্তি সম্পাদিত হয়।

গোপনীয়তা বিজ্ঞপ্তি গ্রহণযোগ্যতা জানানোর নথি নয়। ব্যক্তিগত তথ্যের শর্তসাপেক্ষ সম্মতি, বিদেশে তথ্য স্থানান্তরের সম্মতি, বাণিজ্যিক যোগাযোগের পছন্দ এবং আগাম সেবা শুরু করার অনুরোধ প্রত্যেকটি পৃথক ঘোষণা; চুক্তি গ্রহণ থেকে এগুলো অনুমান করা হয় না।

ধারা ৩ — চুক্তির বিষয়বস্তু

কোম্পানি যুক্তিসংগত যত্ন ও দক্ষতার সঙ্গে লেনদেনের সারাংশে উল্লিখিত বেসরকারি ভিসা আবেদন সহায়তা সেবা প্রদানের অঙ্গীকার করে। সেবার মধ্যে তথ্য পর্যালোচনা, দৃশ্যমান সামঞ্জস্য যাচাই, প্রস্তুতি, সংশোধনে সহায়তা, সরকারি ব্যবস্থায় আবেদন জমা দেওয়ায় সহায়তা, কোম্পানির পক্ষ থেকে অগ্রগতি অনুসরণ এবং নথি বা ফলাফল পৌঁছে দেওয়া অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

কোম্পানি ভিসা ইস্যু করা, সরকারি সিদ্ধান্ত নেওয়া, সিদ্ধান্তের সময়ের নিশ্চয়তা দেওয়া বা তুর্কিয়েতে প্রবেশ নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করে না।

ধারা ৪ — সরকারি পোর্টাল ও সরাসরি আবেদন

তুর্কিয়ের ই-ভিসার সরকারি পোর্টাল হলো evisa.gov.tr। যোগ্য আবেদনকারীরা কোম্পানির সহায়তা ছাড়াই সেখানে সরাসরি আবেদন করতে পারেন। আবেদনকারী নিশ্চিত করেন যে কেনার আগে কোম্পানির সেবা যে বেসরকারি ও অর্থের বিনিময়ে দেওয়া হয়, সেবার প্রধান বৈশিষ্ট্য এবং সরকারি পোর্টালের তথ্য দেখানো হয়েছিল।

ধারা ৫ — লেনদেনের সারাংশ

লেনদেনের সারাংশ এই চুক্তির অংশ। এতে অন্তত নিম্নলিখিত বিষয়গুলো চিহ্নিত থাকতে হবে:

  • লেনদেন ও আবেদনকারীর রেফারেন্স;
  • সেবা ও গন্তব্য;
  • প্রযোজ্য আবেদনপথ নির্ধারণে ব্যবহৃত নাগরিকত্ব ও ভ্রমণ নথির ধরন;
  • পরিকল্পিত আগমনের তারিখ;
  • কোম্পানির নির্বাচিত প্রক্রিয়াকরণ বিকল্প ও লক্ষ্যমাত্রার সময়সীমা, যদি থাকে;
  • সেই সময়সীমা গণনা শুরুর ঘটনা ও আগে জানানো ব্যতিক্রমগুলো;
  • কোম্পানির সেবা ফি;
  • সরকারি বা নথির ফি, যদি থাকে;
  • অর্থ পরিশোধ প্রক্রিয়াকরণের চার্জ, যদি থাকে;
  • মোট অর্থের পরিমাণ ও মুদ্রা;
  • ইলেকট্রনিকভাবে সরবরাহের প্রত্যাশিত পদ্ধতি;
  • ঐচ্ছিক বিমা বাদ দেওয়া হয়েছে নাকি আলাদাভাবে নির্বাচন করা হয়েছে।

নিশ্চিত করার পরে কোনো গোপন ফি যোগ করা যাবে না। ব্যতিক্রম হলো আবেদনকারী স্পষ্টভাবে অতিরিক্ত সেবা চাইলে, অথবা বাধ্যতামূলক সরকারি অর্থ পরিশোধের আগে তার পরিমাণ বদলে গেলে এবং আবেদনকারী সংশোধিত সারাংশ অনুমোদন করলে।

ধারা ৬ — সেবা শুরু ও সম্পাদন

লেনদেনের সারাংশে পরবর্তী কোনো সময় উল্লেখ না থাকলে, চুক্তি সম্পাদন, সফল অর্থ পরিশোধ এবং নির্বাচিত সেবার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য ও নথি পাওয়ার পর কোম্পানি সেবা শুরু করতে পারে। ভোক্তার লেনদেনে আইনগত প্রত্যাহারের সময়সীমা তখনও শেষ না হয়ে থাকলে, তার আগে সেবা শুরু করতে ধারা ৭-এ বর্ণিত পৃথক, অবহিত অনুরোধ ও সম্মতিও প্রয়োজন।

সংশোধন, অতিরিক্ত নথি, পরিচয় বা অর্থ পরিশোধ যাচাই প্রয়োজন হলে, সেই প্রয়োজন পূরণ না হওয়া পর্যন্ত সেবা সম্পাদন স্থগিত থাকে। আবেদনকারীর দেওয়া যোগাযোগের মাধ্যমে কোম্পানি তাকে জানায়।

লক্ষ্যমাত্রার সময়সীমা কেবল কোম্পানির সেবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য এবং লেনদেনের সারাংশে নথিভুক্ত ঘটনা থেকে তা গণনা শুরু হয়। আবেদনকারী, সরকারি ব্যবস্থা, ব্যাংক বা অর্থ পরিশোধ সেবাদাতার জন্য অপেক্ষা এবং উল্লিখিত অপ্রতিরোধ্য পরিস্থিতির ক্ষেত্রে আগে জানানো সময়সীমার নিয়ম প্রযোজ্য হয়।

ধারা ৭ — আবেদনকারীর আগাম সেবা শুরু করার অনুরোধ

আইনগত প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষ হওয়ার আগে সেবা শুরু করার অনুরোধ করলে আবেদনকারীকে পৃথকভাবে, অবহিত হয়ে ও স্পষ্টভাবে অনুরোধ এবং সম্মতি জানাতে হবে। সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রণটি শুরুতে অনির্বাচিত থাকতে হবে এবং সাধারণ চুক্তির চেকবক্সের মধ্যে তা আড়াল করা যাবে না।

এই অনুরোধ করার আগে কোম্পানিকে স্পষ্টভাবে জানাতে হবে যে প্রকৃত সেবা আগাম শুরু বা সম্পূর্ণ সম্পাদন করলে বাধ্যতামূলক আইন অনুযায়ী কী ফল হবে। প্রযোজ্য আইনি শর্ত পূরণ হলেই কেবল আগাম সেবা শুরু করার ফলে আইনগত প্রত্যাহারের অধিকার সীমিত বা বিলুপ্ত হতে পারে; স্বয়ংক্রিয়ভাবে অধিকার হারানোর সাধারণ বিবৃতি যথেষ্ট নয়।

এই ঘোষণায় আরও বোঝানো হয় যে পরবর্তী অনুরোধও কোম্পানির চুক্তিভিত্তিক বাতিল নীতির অধীনে বিবেচিত হতে পারে এবং ত্রুটিপূর্ণ, বিলম্বিত বা সম্পাদন না করা সেবার জন্য বাধ্যতামূলক প্রতিকার পাওয়ার অধিকার বহাল থাকে।

আবেদনকারী আগাম সেবা শুরু করার অনুরোধ না করলে, অন্য কোনো আইনসম্মত শুরুর শর্ত প্রযোজ্য না হওয়া পর্যন্ত কোম্পানি প্রযোজ্য প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষ হওয়ার আগে সেই আগাম কাজ শুরু করে না। এর ফলে নির্বাচিত জরুরি বিকল্পটি দেওয়া সম্ভব না হলে, অর্থ পরিশোধের আগে আবেদনকারীকে জানাতে হবে; তিনি অন্য বিকল্প বেছে নিতে বা লেনদেন থেকে সরে আসতে পারেন।

ধারা ৮ — প্রত্যাহারের অধিকার

আইনসম্মত কোনো ব্যতিক্রম প্রযোজ্য না হলে, ভোক্তা প্রযোজ্য দূরবর্তী চুক্তি আইনে দেওয়া সময়সীমার মধ্যে চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করতে পারেন। এই সময়সীমা সাধারণত এই সেবা চুক্তি সম্পাদনের তারিখ থেকে শুরু হয়। আরও দীর্ঘ বা বেশি সুবিধাজনক কোনো বাধ্যতামূলক অধিকার থাকলে তা বহাল থাকে।

আবেদনকারী ধারা ৭ অনুযায়ী পৃথক অনুরোধ ও সম্মতি দিয়ে থাকলে এবং ওই সময়সীমা শেষ হওয়ার আগে সেবা শুরু হয়ে গেলে, বাধ্যতামূলক আইন যতটুকু প্রযোজ্য করে ততটুকু সেবা শুরুর ব্যতিক্রম কার্যকর হয় এবং সেই সেবার জন্য আইনগত প্রত্যাহারের অধিকার আর প্রয়োগ করা যায় না।

প্রত্যাহারের নোটিশ বাতিল/অর্থ ফেরতের মাধ্যম, যোগাযোগ পৃষ্ঠা, নিবন্ধিত ঠিকানা বা কোম্পানির দেওয়া অন্য কোনো সংরক্ষণযোগ্য স্থায়ী মাধ্যমে পাঠানো যেতে পারে। নোটিশে লেনদেন শনাক্ত করার মতো যথেষ্ট তথ্য থাকা উচিত।

বৈধ আইনগত প্রত্যাহারের জন্য কোনো কারণ জানাতে বা জরিমানা দিতে হয় না। লেনদেন সুরক্ষিত রাখতে কোম্পানি পরিচয় ও প্রতিনিধিত্বের ক্ষমতা যাচাই করতে পারে।

ধারা ৯ — বৈধ আইনগত প্রত্যাহারের আর্থিক ফলাফল

সেবা শুরু হওয়ার আগে আবেদনকারী বৈধভাবে প্রত্যাহার করলে, বাধ্যতামূলক আইনে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোম্পানি সেই দূর থেকে দেওয়া সেবার জন্য পাওয়া সব অর্থ ফেরত দেয়। সাধারণত মূল অর্থ পরিশোধ পদ্ধতিতেই তা ফেরত দেওয়া হয় এবং আবেদনকারীর ওপর কোনো ফি বা অতিরিক্ত বাধ্যবাধকতা চাপানো হয় না।

সেবা শুরুর অনুমোদিত ঘটনা ঘটার আগে সেবা সম্পাদনের অংশ হিসেবে কোম্পানি সরকারি বা তৃতীয় পক্ষকে কোনো অর্থ স্থানান্তর করতে পারবে না। আবেদনকারীর জন্য আরও সুবিধাজনক কোনো বাধ্যতামূলক বিধান থাকলে তা বহাল থাকে।

ধারা ১০ — সেবা শুরু হওয়ার পর চুক্তিভিত্তিক বাতিল

আগাম সেবা শুরু হওয়ার পরে কোনো অনুরোধ এলে, প্রথমে বাধ্যতামূলক আইন ও সংশ্লিষ্ট লেনদেনের সুনির্দিষ্ট রেকর্ড অনুযায়ী আইনগত প্রত্যাহারের অবস্থান নির্ধারণ করা হয়। আইনসম্মত ব্যতিক্রম প্রযোজ্য হলে, অথবা অনুরোধটি যতটুকু আইনগত প্রত্যাহারের বাইরে পড়ে, ততটুকু কোম্পানি সেবার পর্যায় অনুযায়ী চুক্তিভিত্তিক বাতিলও মূল্যায়ন করে:

  • মূল পর্যালোচনা বা প্রস্তুতির কাজ সম্পন্ন হওয়ার আগে: কোম্পানির সেবা ফি ফেরতযোগ্য;
  • পর্যালোচনা বা প্রস্তুতির কাজ শুরু হওয়ার পরে: প্রকৃতপক্ষে সম্পাদিত সেবার যুক্তিসংগত মূল্য কোম্পানির ফেরতযোগ্য সেবা ফি থেকে বাদ দেওয়া যেতে পারে;
  • সরকারি ব্যবস্থায় আবেদন জমা দেওয়ার সহায়তা সম্পন্ন হলে অথবা ফলাফল/নথি পৌঁছে দেওয়া হলে: কোম্পানি সাধারণত সেবা ফি অর্জন করেছে বলে গণ্য হয়, তবে ত্রুটিপূর্ণ সেবা সম্পাদনের প্রতিকার প্রযোজ্য থাকবে;
  • সরকারি বা তৃতীয় পক্ষকে দেওয়া অর্থ কেবল প্রাপকের কাছ থেকে ফেরত পাওয়া সম্ভব হলে, অথবা বাধ্যতামূলক আইন অন্য কিছু নির্ধারণ করলে, ফেরতযোগ্য হয়।

লেনদেনের সারাংশে সেবার পর্যায়গুলো আরও সুনির্দিষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করা হতে পারে। এই চুক্তিভিত্তিক বাতিল নীতি ত্রুটিপূর্ণ, বিলম্বিত বা সম্পাদন না করা সেবা-সংক্রান্ত বাধ্যতামূলক অধিকার ত্যাগ বা প্রতিস্থাপন করে না।

ধারা ১১ — অর্থ ফেরতের পদ্ধতি ও সময়

বৈধ আইনগত প্রত্যাহারের অর্থ অযথা বিলম্ব ছাড়া এবং প্রযোজ্য আইনগত শেষ সময়ের মধ্যে ফেরত দেওয়া হয়; সাধারণত মূল অর্থ পরিশোধ পদ্ধতিতে এবং আবেদনকারীর কোনো খরচ ছাড়াই। চুক্তিভিত্তিক বা অন্য অর্থ ফেরত সিদ্ধান্তে উল্লেখিত সময়ের মধ্যে এবং আইন নির্ধারিত সর্বোচ্চ সময়সীমার মধ্যে দেওয়া হয়।

চুক্তিভিত্তিক বাতিল বা আইনগত অধিকারভিত্তিক নয় এমন অন্য কোনো অর্থ ফেরতের ক্ষেত্রে, সরকারি বা তৃতীয় পক্ষকে দেওয়া নির্দিষ্ট খাতের অর্থ ফেরত দেওয়ার আগে কোম্পানি সেই অর্থ ফেরত এসেছে বলে নিশ্চিত হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারে। পৃথক সরকারি অর্থ ফেরতের বিষয়টি পর্যালোচনাধীন আছে বলেই কোম্পানি তার নিজস্ব অবিতর্কিত ফেরতযোগ্য অর্থ ফেরত দিতে দেরি করে না।

ধারা ১২ — ভুল তথ্য ও নতুন আবেদন

প্রদত্ত বা অনুমোদিত তথ্যের জন্য আবেদনকারী দায়ী। সরকারি ব্যবস্থায় জমা দেওয়া আবেদন বা ইস্যু করা নথিতে আবেদনকারীর দেওয়া ভুল তথ্য থাকলে, নতুন আবেদন ও নতুন ফি প্রয়োজন হতে পারে। আবেদনকারীর কারণে সরকারি ব্যবস্থায় পুনরায় আবেদন করার খরচ বহন করতে কোম্পানি বাধ্য নয়।

কোম্পানি লেনদেনের সারাংশে নিশ্চিত করা চূড়ান্ত তথ্যের পরিবর্তে ভিন্ন তথ্য ব্যবহার করার কারণে ভুল হয়ে থাকলে, নিজের সেবা সংশোধনের যুক্তিসংগত খরচ কোম্পানি বহন করে এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রতিকার দেয়।

ধারা ১৩ — সরকারি সিদ্ধান্ত ও কোম্পানির নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা পরিস্থিতি

সরকারি যোগ্যতা, অনুমোদন, প্রত্যাখ্যান, মেয়াদ, অনুমোদিত অবস্থানকাল, প্রবেশের সংখ্যা ও সীমান্তে প্রবেশের সিদ্ধান্ত কোম্পানির সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতার বাইরে। প্রতিকূল সরকারি ফলাফল হলেই কোম্পানি এই চুক্তি ভঙ্গ করেছে, এমন নয়।

কেবল সরকারি ব্যবস্থা অচল থাকা, অর্থ পরিশোধ নেটওয়ার্কের ব্যর্থতা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, সাইবার আক্রমণ, সাধারণ যোগাযোগব্যবস্থার ব্যর্থতা, সরকারি কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপ বা যুক্তিসংগত নিয়ন্ত্রণের বাইরের অন্য ঘটনার কারণে বিলম্ব হলে কোম্পানি চুক্তিভঙ্গ করেছে বলে গণ্য হয় না, যদি কোম্পানি প্রভাব সীমিত করার যুক্তিসংগত পদক্ষেপ নেয় এবং সম্ভব হলে আবেদনকারীকে জানায়।

ধারা ১৪ — সরবরাহ ও পরীক্ষা

কোম্পানি লেনদেনের সারাংশে উল্লেখিত পদ্ধতিতে ফলাফল বা নথি পৌঁছে দেয়। আবেদনকারীকে তা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নাম, নথির নম্বর, তারিখ ও অন্যান্য দৃশ্যমান তথ্য পরীক্ষা করতে হবে এবং কোনো দৃশ্যমান অমিল থাকলে জানাতে হবে।

দৃশ্যমান কোনো ভুল দ্রুত না জানালে ভ্রমণের আগে তা সংশোধনের বাস্তব সুযোগ সীমিত হতে পারে; তবে এতে বাধ্যতামূলক আইনি প্রতিকার পাওয়ার অধিকার বিলুপ্ত হয় না।

ধারা ১৫ — অর্থ পরিশোধ-সংক্রান্ত বিরোধ ও প্রতারণা

চার্জব্যাক শুরু করার আগে আবেদনকারীর কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত, যাতে লেনদেনটি পর্যালোচনা করা যায়। চার্জব্যাক বৈধ বাতিলের নোটিশের বিকল্প নয় এবং তা নিজে থেকে প্রমাণ করে না যে অর্থ পরিশোধ অননুমোদিত ছিল বা অর্থ ফেরতযোগ্য।

কোম্পানি ব্যাংক বা অর্থ পরিশোধ প্রতিষ্ঠানকে লেনদেনের সারাংশ, চুক্তির ডাইজেস্ট, গ্রহণের প্রমাণ, সেবার রেকর্ড, যোগাযোগ ও সরবরাহের প্রমাণ দিতে পারে। পরিচয় চুরি, নথি জালিয়াতি বা অননুমোদিত অর্থ পরিশোধের সন্দেহ হলে তা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষকে জানানো হতে পারে।

ধারা ১৬ — ত্রুটিপূর্ণ বা সম্পাদন না করা সেবা

কোম্পানিকে এই চুক্তি অনুযায়ী প্রতিশ্রুত বেসরকারি সেবা প্রদান করতে হবে। কোম্পানির ত্রুটিপূর্ণ, বিলম্বিত বা সম্পাদন না করা সেবার জন্য ভোক্তার বাধ্যতামূলক প্রতিকার পাওয়ার অধিকার বহাল থাকে। আইনি শর্ত পূরণ হলে এর মধ্যে পুনরায় সেবা সম্পাদন, মূল্য হ্রাস, চুক্তির অবসান বা অর্থ ফেরত অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

সরকারি প্রত্যাখ্যান বা সীমান্তের সিদ্ধান্ত কোম্পানির সেবার ত্রুটি নয়, যদি না তা সরাসরি কোম্পানির প্রমাণিত চুক্তিভঙ্গের কারণে ঘটে।

ধারা ১৭ — দায়বদ্ধতা

বাধ্যতামূলক আইন সাপেক্ষে, কোম্পানির প্রমাণিত চুক্তিভঙ্গের ফলে হওয়া সরাসরি ক্ষতির জন্য কোম্পানি দায়ী। আবেদনকারীর দেওয়া ভুল তথ্য, সরকারি কর্তৃপক্ষ, বিমাকারী, বিমান সংস্থা, ব্যাংক বা কোম্পানির যুক্তিসংগত নিয়ন্ত্রণের বাইরের অন্য কোনো ঘটনার কারণে হওয়া ক্ষতির জন্য কোম্পানি দায়ী নয়।

আইন অনুযায়ী বাদ দেওয়া যায় না এমন দায় কোনো ধারার মাধ্যমে বাদ দেওয়া হয় না। পরোক্ষ বা অনুমাননির্ভর ক্ষতির দায় কেবল আইন যতটুকু অনুমতি দেয় ততটুকু বাদ দেওয়া হয়।

ধারা ১৮ — গোপনীয়তা ও রেকর্ড

কোম্পানি ভিসা গোপনীয়তা বিজ্ঞপ্তি ও প্রযোজ্য নীতিতে বর্ণিতভাবে ব্যক্তিগত তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করে। আইন ও অধিকার সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সময় পর্যন্ত কোম্পানি সব পরিবর্তনশীল তথ্য বসানো চূড়ান্ত চুক্তির পাঠ, ভাষা ও আঞ্চলিক সেটিং, সংশোধিত সংস্করণ, লেনদেনের সারাংশ, নিশ্চিতকরণ এবং অর্থ পরিশোধ ও সেবা সম্পাদনের ঘটনাগুলোর ইলেকট্রনিক প্রমাণ সংরক্ষণ করে।

ধারা ১৯ — অভিযোগ ও বিরোধ নিষ্পত্তি

আবেদনকারী visas.org.tr, নিবন্ধিত ঠিকানা বা KEP-এর মাধ্যমে অভিযোগ বা অনুরোধ জানাতে পারেন। কোম্পানি রেকর্ড পর্যালোচনা করে এবং যেখানে প্রয়োজন কারণসহ উত্তর দেয়।

তুর্কিয়ের আইন প্রযোজ্য। ভোক্তা সালিশি কমিটি, ভোক্তা আদালত ও অন্যান্য উপযুক্ত প্রতিকার ব্যবস্থায় যাওয়ার বাধ্যতামূলক অধিকার বহাল থাকে।

ধারা ২০ — ভাষা ও অনুলিপি

আবেদনকারীকে সংরক্ষণযোগ্য স্থায়ী মাধ্যমে চুক্তি ও লেনদেনের সারাংশ পাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। তুর্কি ও ইংরেজি সংস্করণে একই অর্থ প্রকাশের উদ্দেশ্য রয়েছে। বাধ্যতামূলক আইন যতটুকু অনুমতি দেয়, ততটুকু ব্যাখ্যার জন্য তুর্কি সংস্করণ ব্যবহার করা হয়।